কুরবানি দে
ওয়াহিদ জামান



আত্নত্যাগের দীক্ষা নিয়ে

এলো যে আযহা,

কুরবানি দে ভুলে গিয়ে

সকল অনীহা।



কুরবানিতো ইব্রাহিমের

পরীক্ষার ফসল,

কুরবানি দে হতে চাইলে

জীবনে সফল।



কুরবানিতে আছেরে ভাই

খোদায়ী সন্তোষ,

কুরবানি দে বিধান মতো

করিস নারে দোষ।

বর্ষা
ওয়াহিদ জামান

বর্ষা, বর্ষা, বর্ষা,
আকাশ নয়তো ফর্সা।
ঘন কালো মেঘে থ আকাশ,
এলোমেলো বয় ঠান্ডা বাতাস।
বিদ্যুৎ চমক আর বজ্রের হুংকার,
মানব মনে হয় ভীতির সঞ্চার।

বর্ষা, বর্ষা, বর্ষা,
নেমে পড়ে হরষা।
খাল-বিল, মাঠ-ঘাটে পানির মেলা,
সূর্য যেন আজ করছে হেলা।
রাস্তা ঘাট পিচ্ছিল কর্দমাক্ত,
সে বলছে ‘আমি শক্তের ভক্ত’।

বর্ষা, বর্ষা, বর্ষা,
কৃষক মনের ভরসা।
সারাদিন সবে করছে রোপন,
আউস, বোরো আর নতুন আমন।
দু’চোখে দেখি সবুজপাতা,
পেয়েছে ফিরে সজীবতা।

ষোলই ডিসেম্বর 
ওয়াহিদ জামান
 
মুক্তিসেনা        পণ ভাঙ্গে না
আনবে বিজয় তারা,
ভোর বিহনে         রণাঙ্গনে
রুখবে তাদের কারা?

আসছে দামাল    করছে সামাল
দেখবি তোরা আয়,
টগবগিয়ে      ঝনঝনিয়ে
সামনে তারা যায়।

জাগছে প্রবীণ     আসছে নবীন
হাঁকিয়ে তাদের রথ,
পাক সেনারা       আর পাবিনা
পালিয়ে যাবার পথ।

এই শপথে       মরবে পথে
ফিরবে নাতো ঘরে,
অবশেষে      বিজয় আসে
ষোলই ডিসেম্বরে।
টয়লেট নামা
ওয়াহিদ জামান


আগে দু’য়া পড়তে হবে,
তারপরেতে বাম পা দিবে।
করো না ভাই গাফিলতি,
খালি করো ভরা বালতি।

বেশি বেশি ঢাল পানি,
ভালো বংশের? তবেই মানি।
বের হতে হয় ডান পা দিয়ে,
দু’য়া পড় বাইরে গিয়ে।
মাহফুজ আখন্দ
ওয়াহিদ জামান
(উৎসর্গ- ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ স্যারকে)

 
দুহাজার আট সাল রঙ্গিন বিকেল
বিকল্প রাকসুতে সোনালী নিকেল

শিল্পীর সমাবেশে গাইলেন তিনি
সেদিনই তাঁকে আমি নতুন চিনি

সাজুগুজু আঁকিবুকি রংতুলি রঙ্গন
গড়েছেন সযতনে চারুকারু অঙ্গন

ছন্দের জাদুকর অনুপম কবি
প্রবন্ধে এঁকে যান বাস্তব ছবি

ইতিহাস লিখনে গবেষক যিনি
রকমারী গান সুরে গীতিকার তিনি

ফিচার কলাম লেখা নয় মোটে অল্প
লিখেছেন মজাদার শিশুতোষ গল্প

তাঁর মন খুঁজে পায় সাহিত্যে আনন্দ
সকলের প্রিয় তিনি মাহফুজ আখন্দ।
ঈদ আসেতো সবার তরে
ওয়াহিদ জামান


রমজান শেষে ঈদুল ফিতর,
আনন্দ ধারা মনের ভিতর।
নতুন জামা, নতুন জুতা,
মনে আছে কি দুঃখীর কথা?
 

দালান থেকে, বস্তি হতে,
যায় দেখ সব ঈদ জামাতে।
ধনী-গরীব এক কাতারে,
নাই ভেদাভেদ আমীর ফকিরে।


দুঃখীও যেন হাসতে পারে,
ঈদ আসেতো সবার তরে।

ঢাকার ঈদ
ওয়াহিদ জামান

ঈদের ঢাকা, ফাকা ফাকা
একলা শুয়ে আছি,
কল্পনাতে জল্পনাতে
গ্রামে চলে গ্যাছি।

সকাল হতে ঈদগাহেতে
থাকতো অনেক কাজ,
ফুল টানানো, রং লাগানো
হরেক রকম সাজ।

পুকুর জুড়ে ভেলায় চড়ে
গোসল করতো সবে,
মুরুব্বিরা বলতো এসে
মাঠে যাবে কবে?

নামাজ শেষে বাবা যেতেন
দাদার কবর পাশে,
আমি থাকতাম তারই কাছে
মুচকি মুচকি হেসে।

দু°হাত তুলে মোনাজাতে
কাঁদতেন বাবা যখন,
বুঝতাম নাতো কেন তিনি
এমন করেন তখন।

তারপর হতো বাড়ী বাড়ী
ঘুরে ঘুরে খাওয়া,
বিকাল হলেই মায়ের সাথে
নানার বাড়ী যাওয়া।

এখনতো আর সেই আনন্দ
পাইনা খুজে আমি,
আমার অতীত দাও ফিরিয়ে
ওহে অন্তর্যামী।

ফেসবুকে অগ্নিগিরি

সংবাদপত্র

পত্রিকার কলামসমূহ

বাংলা সাময়িকী

রবীন্দ্র রচনাবলী

নজরুল রচনাবলী

টেলিভিশন

জনপ্রিয় ওয়েবসাইট সমূহ

অনলাইন রেডিও